সোহেল তাজকে নিয়ে আপনাদের এত জ্বলে কেন? মেহেদি হাসান রনি

অতিরিক্ত অর্থ,ক্ষমতা ও পদের লোভে বিলাসী মানুষ অন্ধ ও বধির হয়ে যায়।আর যারা ইতিমধ্যে এসব পেয়ে গেছেন তাদের শরীর ও মনে অনেক চর্বি জমে গেছে।তারা অনেকটাই আত্ম-অহংকারী ও দাম্ভিক প্রকৃতির হয়ে সবাইকে নিচু শ্রেণীর ও ছোট-লোক ভাবতে শুরু করে।বিশেষ করে যারা ক্ষমতার কাছাকাছি থাকে বা পদে অধিষ্ঠিত হয়ে ক্ষমতার সুবিধা নিচ্ছেন তারা কখনোই নিচের শ্রেণীর মানুষের কষ্টের কথা শুনতে চায় না।তাই এসব ক্ষমতাবান লোভীদের ছোট আকারে আলাদা জগৎ তৈরি হয়।এই জগতের সদস্য হিসেবে তারা সাধারণ মানুষের উপর কর্তৃত্ব আরোপ করে বা অনিয়ম করে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার আত্মত্যাগ ইতিহাসের পাতায় স্বরণীয় হয়ে থাকবে।সবাই ত্যাগ করতে পারে না।বর্তমান সময়েও ঠিক যেমনটা করেছেন সোহেল তাজ।এদেশে অনেকেই রাজনীতি করেছে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য আবার অনেকেই রাজনীতি করেছে ব্যাবসায়ী ফেডারেশনের দখল,সরকারি পদ-পদবি নিয়ে ভবন দখল ও ঢাকায় বাসাবাড়ি দখলের জন্য যেটা সোহেল তাজের মধ্যে ছিলো না।২০০১ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত দেশ ও দলের জন্য কমিটেড ছিলেন।

যার প্রমাণ তিনি দিয়েছেন।তার বিরুদ্ধে যারা সরব বা নীরব তারা সবাই কোন মহলকে খুশি করে নিজের আখের গোছাতে সুযোগ সুবিধা প্রাপ্তির জন্য বিল্পবের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।যদিও সোহেল তাজ এসব পদ দু’পায়ে ঠেলেও বাপের সুনাম ও নিজের ব্যক্তিত্ব ধরে রেখেছেন।

এখানেই তাদের সমস্যা,এখানেই অনেকের জ্বলে।এই জ্বলার কারণ তাদের পা চেটে পাওয়া সরকার পদ,চুরি করে গড়ে তোলা সুইজ ব্যাংকে টাকার পাহাড়,দেশের বারোটা বাজিয়ে সচিবালয় থেকে পতিতালয় পর্যন্ত আধিপত্য থাকার পরেও কেন সোহেল তাজকে দেশের ও দলের সাধারণ মানুষেরা ভালোবাসে তাদেরকে ভালবাসে না!

পরিশেষে একটি কথাই বলবো সাধারণ মানুষেরা ভালো ও খারাপের পার্থক্য বুঝতে পারে।তাজউদ্দীন আহমেদের মত সোহেল তাজেরও পাওয়ার কিছুই নেই তারা আপনার-আমার চেয়ে অনেক উন্নত মানের মানুষ।আপনারা যারা তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন আপনাদের কাছের লোকটিও জানেন দুপয়সা লাভের জন্য গদ্য পদ্য লিখে একটি মহলের পা-চেঁটে কিছু পাওয়ার জন্য করছেন।তবে মনে রাখবেন এদেশের মানুষ একদিন ঠিকই আপনাদের সমুচিত জবাব দিবে।

লেখকঃ মেহেদি হাসান রনি
সাবেক সহ-সভাপতি,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

%d bloggers like this: