সীমিত নয় চলছে পুরোদমে, বেপজার নির্দেশনা মানছে না কারখানাগুলাে

দিন যত যাচ্ছে দেশে করােনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ততই বাড়ছে। নতুন রেকর্ড গড়ছে ভাইরাসটি। সর্বশেষ গতকাল সােমবার দেশে সর্বমােট করােনায় আক্রান্ত হয়েছেন রেকর্ড ৬৮৮ জন।  এরইমধ্যে সংক্রমণের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি যে ইপিজেড, তা চালু করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা এ সিদ্ধান্তকে ঝুঁকিপূর্ণ ও আত্মঘাতী বললেও তাতে কর্ণপাত করেনি সংশ্লিষ্টরা। শ্রমিকদের স্বাস্থ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলে চালু রাখা হয়েছে চট্টগ্রামের দুই শতাধিক কারখানা।

বেপজা’র দেয়া তথ্য মতে, প্রতিটি কারখানায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করছেন ২৫ শতাংশ শ্রমিক। এমনকি করােনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত শ্রমিকদের উপস্থিতির সংখ্যা বাড়াতে পারবে না কারখানাগুলাে। শুধু তাই নয়, শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কারখানা পরিদর্শন করবে বেপজার ৬টি টিম। এমনকি দূর-দূরান্ত থেকে অফিসে আসা শ্রমিকদের কাজে যােগ না দেওয়ারও নির্দেশনা দিয়েছে বেপজা ।

কিন্তু বেপজার এসব সর্তকতামূলক নির্দেশনার তােয়াক্কাই করছে না কারখানাগুলাে। শুরুতেই ৪০ শতংশের বেশি শ্রমিক নিয়ে কাজ শুরু করা কারখানাগুলাে এখন হাঁটছে শতভাগের পথে। কারখানায় অনুপস্থিত থাকা শ্রমিকদের মােবাইলে পাঠাচ্ছে উপস্থিত থাকার জন্য ক্ষুদেবার্তা।

তাই কাজে যােগ দিতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ঝুঁকি নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমাচ্ছেন শ্রমিকরা। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে চট্টগ্রামে প্রবশে করা এসব শ্রমিকদের কারণে আরও ঝুঁকিতে পড়বে চট্টগ্রাম। তাইতাে বিশেষজ্ঞরা করােনা সংক্রমনের প্রথম থেকেই চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘােষণা করেছেন। বিশেষজ্ঞদের এ তথ্য বিফলে যায়নি। গত তিনদিনে ইপিজেড এলাকায় সনাক্ত হয়েছেন ৩ জন করােনা রােগী। যা নিয়ে আতঙ্কে এখন পুরাে ইপিজেডবাসী।

%d bloggers like this: