রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অনলাইনে কারাতে প্রশিক্ষণ

মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন ধরে স্কুল কলেজ, খেলা ধুলা সব কিছু বন্ধ। তাই স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাসের পাশাপাশি ক্রিড়াঙ্গনেও শুরু হয়েছে অনলাইন ক্লাসের প্রচলন। গত ০৩ জুন থেকে  শিক্ষার্থীদের অনলাইনে কারাতে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে বাংলাদেশ কিক ফাইটার কারাতে স্কুল।

অনলাইনে কারাতে প্রশিক্ষনের ব্যাপারে ‘বাংলাদেশ কিক ফাইটার কারাতে স্কুল’ এর প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক সেনসী এ বি রনি বলেন, অনলাইনে কারাতে প্রশিক্ষনের নিয়ে বলতে গেলে আমি বলব যেহেতু সরকারি নির্দেশনায় স্কুল কলেজ বন্ধ ছেলেমেয়েদের একাডেমিক কার্য্যক্রম বন্ধ রাখা যাবেনা, আমার কারাতে স্কুলটি ও অনুরুপ।কারণ আমার ইনস্টিটিউটে ও বৎসরে ৩ টি কারাতে পরীক্ষা হয়ে থাকে। সে পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের গ্রেডিং হয় এবং সাটিফিকেট দেয়া হয়। যা তাদের ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রে কার্যকরি।

তাছাড়া বর্তমান পেক্ষাপটে কারাতে কে অধিক গুরুত্ব বলে আমি মনে করছি কারন এ মুহুর্ত্বে সুস্হ্য থাকাটাই সবার কামনা এবং মুলব্রত। কারণ অভিভাবকদের অভিযোগ ছেলেমেয়েরা অলস হয়ে যাচ্ছে, ঘরে শারিরীক কোন ব্যায়াম করছেনা তাই, তাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো সহ সেশনজটের কথা মাথায় রেখে অনলাইন কারাতে প্রশিক্ষণ শুরু করি।

তারপর ও বর্তমান সিচুয়েশন যেহেতু আমাদের প্রতিকুলে তাই কামারের দোকানে গিয়ে দা ধারানোর পরিবর্তে একটা শীল পাথর দিয়ে যতটুকু ধাঁর দেয়া যায় তাই ভালো কারণ একেবারে না করে ভুলে যাওয়ার চেয়ে লেগে থেকে অনেকটা শিখা সম্ভব।

অনলাইনে কারাতে প্রশিক্ষণ দিতে গেলে একটু পরিশ্রম বেশি হয় কারণ কারণ হাতে কলমে বিদ্যা, সরাসরি করালে ভুল করলে হাতে ধরে একবারেই ঠিক করে দেয়া যায় অনলাইনে করাতে গেলে একবারের পরিবর্তে অনেকবার দেখাতে হয় এবং স্টেপ বাই স্টেপ আস্তে আস্তে একাধিকবার নিজেকে ও করতে হয়। তারপরও আমি বলব এতে করে ছেলে মেয়েদের দৈনিক ব্যায়াম সহ কিছুটা সিলেবাস শেষ করা যায়। একঘেয়েমি কেটে যায়। কারণ দীর্ঘদিন বাসায় বসে থেকে অসুস্হ হয়ে যাবে। দৈনিক এ অনলাইনে কারাতে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা কিছুটা খুব আনন্দের সময় কাটায়, কারণ ক্লাস সময়ে আনন্দ সহ তাদের ব্যাচমেন্টদের সাথে দেখা ও কথোপকথন হয়। তাতে করে তাদের মন ভালো থাকে শরীর স্ট্রং হয়।শরীর যখন সুস্হ থাকে মনে তখন জোর থাকে। শরীরে শক্তি ও সুস্হতার ফলে যেকোন কিছু জয় করা সম্ভব হয়।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ কিক ফাইটার কারাতে স্কুল ছড়িয়ে আছে পুরো বাংলাদেশে, অসংখ্য জাতীয় খেলোয়াড় তৈরি করে চট্টগ্রামের জন্য বয়ে এনেছে স্বর্ন পদক সহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পদক। গত বৎসর ২৩-২৭ আগস্ট কম্বোডিয়া অনুস্ঠিত আন্তর্জাতিক কারাতে চ্যাম্পিয়ন শীপ এ সিনিয়র ক্যাটাগরিতে অংশগ্রহণ করে কাতা ও কুমিতে ইভেন্টে ২য় স্হান অর্জন করেন সেনসী এ বি রনি।

কারাতে রেফরী করতে গিয়ে সিনিয়র ক্যাটাগরি হচ্ছে দেখে বাংলাদেশের সিনিয়র কারাতে কোচ ও আন্তর্জাতিক কারাতে রেফারি প্রয়াত হুমায়ুন কবিরের অনুরোধে খেলায় বাংলাদেশের হয়ে অংশগ্রহণ করেন বলে জানান সেনসী এ বি রনি ।

 

%d bloggers like this: