জোরারগঞ্জ থানায় এজাহার দেওয়ার ১৪ দিন পরেও মামলা না নেওয়ার অভিযোগ

মিরসরাইয়ে এক প্রাইভেটকার চালককে পিটিয়ে জখম করার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে জোরারগঞ্জ থানায় এজাহার দেওয়ার ১৪ দিন পরও মামলা না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মামলা না নিয়ে বরং বাদীকে আসামীপক্ষের সাথে সমঝোতা করার জন্য উল্টো চাপ দিচ্ছে পুলিশ।

জানা গেছে, গত ১৬ জুন সন্ধ্যায় জোরারগঞ্জ বাজারে একটি চায়ের দোকানে উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের সোনাপাহাড় এলাকার মৃত আবদুল হাইয়ের পুত্র নুরুন্নবীকে কয়েকজন উঠতি সন্ত্রাসী জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। তাকে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করায়।

নুরুন্নবী বলেন, ইয়াবা, গাঁজা সেবন ও অনিক নামে এক স্থানীয় বাসিন্দার পৈতৃক বাড়ির জমি ক্রয়ের জন্য প্রস্তাব দিলে আমি অস্বীকৃতি জানাই। এসব ঘটনার জেরে অনিকসহ কিছু সন্ত্রাসীরা আমার উপর হামলা করে। হামলায় আমার দুটি দাঁত পড়ে যায় ও পুরো ঠোঁট কেটে গেছে।

এ ঘটনায় গত ১৬ জুন উপজেলার পশ্চিম সোনাপাহাড় গ্রামের মান্নান কোম্পানির ছেলে অনিক (১৮), জহিল আলমের ছেলে রকি (১৬), আইয়ুব খানের ছেলে হৃদয় (২৪), ইউসুফের ছেলে পায়েলের (১৯) বিরুদ্ধে একটি এজাহার দিই। কিন্তু ১৪ দিন পার হয়ে গেলেও পুলিশ মামলা নিচ্ছে না। উল্টো আসামিদের সাথে সমঝোতা ও স্থানীয় ভাবে মীমাংসা করতে চাপ দিচ্ছে। এদিকে সন্ত্রাসীরা আবারো প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।

এবিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জোরারগঞ্জ থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সাইফুল ইসলাম বলেন, ওসি করোনায় আক্রান্ত। তাছাড়া উপরের নির্দেশনা না থাকায় মামলা নেওয়া হচ্ছেনা। তবে বাদীকে হয়রানীর বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।

%d bloggers like this: